Powered By Blogger

কিছু খুঁজতে এখানে লিখুন

বুধবার, ১৪ মার্চ, ২০১২

ডাঃ জাকির নায়েক

বাংলা বই গুলো খুব বেশি সহজলভ্য না হবার কারনে পাওয়া বেশ কষ্টকর, এখানে বইগুলো বিভিন্ন ভাবে সংগ্রহীত, আপনারা চাইলে আরও লিঙ্ক দিতে পারেন, আমি বই এর সংখ্যা বাড়াতে আপ্রান চেষ্টা করব।

লেখক - হুমায়ুন আহমেদ

বাংলা বই গুলো খুব বেশি সহজলভ্য না হবার কারনে পাওয়া বেশ কষ্টকর, এখানে বইগুলো বিভিন্ন ভাবে সংগ্রহীত, আপনারা চাইলে আরও লিঙ্ক দিতে পারেন, আমি বই এর সংখ্যা বাড়াতে আপ্রান চেষ্টা করব।


বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ, ২০১২

যে কোনো Program এর Keyboard Shortcut তৈরী করুন নিজেই


আসসালামু আলাইকুম,

খুব ই সাধারন ১টা জিনিস হয়ত বা আমরা জানিনা এত কিছুর মাঝে অনেক সময় এমন ছোট-খাট জিনিস অজানা থেকে যেতে পারে keyboard shortcut ব্যবহার করে যে কোনো Program চালু করতে পারলে কেমন হত? অবশ্যই Fast. যেমন Ctrl+Shift+Esc দিয়ে  task manager চালু করা যায়
          
আসুন দেখে ফেলি কি ভাবে Windows Xp,Vista and Windows 7 তে যে কোনো Application/Program/Games keyboard shortcut  ব্যবহার করে চালু করা যায়

আমি Procedure বলে দিচ্ছিঃ
1.   START>any program>right click on selected Program>Properties (এখানে আমি Circuit Maker ব্যবহার করেছি)
2.   Shortcut key এর জায়গায় আপনার পছন্দ মত Key চাপুন(আমি ctrl+Num 0 দিয়েছি)
3.   OK  Click করুন
4.   এখন ইচ্ছে মত Program Launch করুন





ধন্যবাদ সবাইকে ভাল থাকবেন


এক লোক তার নতুন গাড়ি পরিষ্কার করছিল, এই সময় তার চার বছরের মেয়ে পাথর হাতে গাড়িটির কাছে যায় এবং গাড়ির একপাশে পাথর দিয়ে আঁচড়িয়ে কিছু লেখে। লোকটি যখন দেখতে পায় তার মেয়ে গাড়ির গায়ে আঁচড় কাটছে তখন সে রাগে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ে এবং মেয়েটির হাতে আঘাত করা শুরু করে। পরে মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর জানতে পারে যে তার মেয়ের হাতে একধিক ফ্র্যাকচার হয়েছে।
হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মেয়েটি যখন প্রচণ্ড ব্যাথায় তার বাবাকে জিজ্ঞেস করে, “বাবা, আমার হাত কবে ঠিক হবে?”, তখন লোকটি নির্বাক হয়ে পড়ে। সে তার গাড়িটির কাছে ফিরে যায় এবং রাগে গাড়িটিকে অসংখ্যবার লাথি মারে। সে তার মেয়েকে কতটা নিষ্ঠুরভাবে আঘাত করেছে তা ভেবে সে অত্যন্ত কষ্ট পায় এবং গাড়িটির সামনেই মাটিতে বসে পড়ে। এসময় তার চোখ যায় গাড়িটির যেখানে তার মেয়ে পাথর দিয়ে আঁচড় কেটেছিল সেখানে। সেখানে লেখা ছিল, “বাবা, আমি তোমাকে ভালবাসি”।

গল্পটি কাউকে উদ্দেশ্য করে এখানে দেওয়া, যে খুব বেশী Special আমার কাছে।


ফুলের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে মাথা চুলকাচ্ছে আয়ান। বুঝতে পারছে না যে সে কয়টা ফুল কিনবে। অনেক দিন ধরেই আয়ান লক্ষ্য করছে গুরুত্বপূর্ণ কাজ এর সময়ই তার মাথা কাজ করা বন্ধ করে দেয়। আজ যেমন তার রাজকন্যা ওকে সুযোগ দিয়েছে মনের কথা বলার আর আজকেই আয়ান বুঝতে পারছে না কয়টা ফুল নিয়ে যাবে। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে মাথা চুলকানোর পর সিদ্ধান্ত নিল ৩৬টা গোলাপ ফুল নিয়ে যাবে। ১৮টা সাদা আর ১৮টা লাল। কারন আজকের দিন নিয়ে ৩বছর = ৩৬ মাস হলো ওর রাজকন্যা কে দেখার ফুলওয়ালা ফুল দিতে দিতে বললো, আপনার ভাগ্য ভাল যে যত গুলা গোলাপ দরকার ছিল ততো গুলাই আছে, না হলে ২১শে ফেব্রুয়ারির দিন ফুল সহজে পাওয়ার কথা ছিল না'' রিক্সাই উঠতে উঠতে আয়ান ভাবতে লাগলো সত্ত্যি এসব যা হচ্ছে সম্পূর্ণই তার ভাগ্যের জোরে, তার ভাগ্যে যদি না লেখা থাকতো হয়তো ৩ বছর আগে অদিতি কে সেই প্রথম দেখতো না। সে দিন এর কথা মনে পড়লে আজো ভেবে অবাক হয় আয়ান। সম্পূর্ণ ভাগ্যক্রমে অদিতি কে প্রথম দেখা। সে দিন অনিচ্ছাতেই বাড়ি থেকে বের হয়েছিল আয়ান। আর বেশিক্ষণ আড্ডাও দেয়নি সেদিন। বাড়ি যাবে এমন সময় সাব্বির নতুন বাইক নিয়ে আসে।

একরকম সাব্বিরের জোরাজুরিতেই বাইক নিয়ে ঘুরতে যেতে রাজি হয় সে। আর ঘুরতে ঘুরতে, অভ্যাসবশত সাব্বির একটি মেয়ে কে দেখে বলে ওঠে, আয়ান মেয়েটা সুন্দর আছে তাই না? আয়ানের অবশ্য সুন্দর মেয়েদের থেকে এলার্জি। সুন্দর মেয়ে দেখলেই সে ২০০ হাত দূরে চলে যেত। ওর দৃঢ় বিশাস ছিল যে মেয়েরা সুন্দর তারাই অহংকারি। আয়ান একবারের বেশি কোনো মেয়ের দিকে তাকাতো না আর অচেনা মেয়েদের কোনোদিন সুন্দর বলছে এটা অনেকটা অসম্ভব কথা। কিন্তু সেদিন প্রথম আয়ান একটি মেয়েকে ২ বার দেখেছিল। আর এই প্রথম সে কোনো মেয়ে কে সুন্দর বলেছিল। মেয়েটি অদিতি ছিল। অন্য সব অচেনাদের মত অদিতিও হয়ত হারিয়ে যেত কিন্তু আয়ানের ভাগ্যে অদিতির সাথে আরেকবার দেখা হওয়াটা লেখা ছিল। সেদিন ২২এ ফেব্রুয়ারি স্কুলে স্যারকে খোঁজার জন্য ক্লাস থেকে বের হয়েছিল আয়ান। আর হঁঠাত্‍তার চোখ যায় পার্ক এ থাকা একটি মেয়ের দিকে। ভাল করে দেখে আয়ান কিছুটা অবাক হয়। কারন সেই মেয়েটি আদিতি ছিল। আয়ান বিশ্বাস করতে পারছিল না নিজের চোখকে। তারপর যখন সবাই জানতে পারে আয়ানের সেই সুন্দরী মেয়ে স্কুলে, সবাই ভীর করে তাকে দেখতে। তখনো অদিতি এসবের কিছু জানতো না।

এরপর দিন ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম অদিতি স্কুলে ক্লাস করে। আয়ান তখনও মেয়েটির নামটাও ভাল মতো জানতো না, না জানতো কোন ক্লাসে। একদিন 9 এর ক্লাসে ক্লাস করতে তাকে দেখে, এর পর জানতে পারে সে নতুন ভর্তি। আয়ানের বন্ধুরা আয়ানকে মেয়েটি নিয়ে ফাজলামি মজা করতো, আয়ানও মজা করতো বিষয়টা নিয়ে।কখনোই আয়ান মেয়েটাকে সিরিয়াসলি নিতে চায়নি শুধুই ফাজলামি রাখতে চেয়েছিল এটা। কারন আয়ানের ধারনা ছিল ভালবাসা তার দ্বারা সম্ভব না। কিন্তু বিপদ আর ভালবাসা কি কখনো নিজের ইচ্ছেই হয়
! আর ঠিক তেমনি ধীরে ধীরে আয়ান লক্ষ্য করলো মেয়েটিকে দেখলে সে কেমন জানি হয়ে যায় হঠাত্করেই আয়ান বুঝতে পারলো ব্যাপারটা শুধুই ফাজলামি নেই , সে মেয়েটার প্রতি খুব দুর্বল হয়ে গেছে। আয়ান নিজেই নিজের এই অবস্থা দেখে অবাক হয়েছিল। আয়ানের তখন S.S.C এর টেস্ট পরীক্ষা চলছিলো আর প্রত্যেক পরীক্ষার পর আদিতিকে দেখার জন্যে হাজারো পাগলামী করতো সে। আর আজো সে তার ভালবাসার জন্যে হাজারো পাগলামী করে যাচ্ছে। কিভাবে আয়ানের এই শুধুই ফাজলামি থেকে ভাললাগা আর তা থেকে ভালবাসা হয়ে গেল তা আজও নিজেই জানে না সে। আজ আয়ান শুধু জানে সে অদিতি কে ভালবাসে খুব খুব ভালবাসে, অনেক বেশি ভালবাসে.

ভাবতে ভাবতে কখন যে পার্কে পৌছে গেছে সে দিকে খেয়াল নেই আয়ানের। রিক্সাওয়ালাকে ভাড়া দিয়ে পার্কে ঢুকতে ঢুকতে সে মনে মনে ঠিক করলো, আজ অদিতি কে কনো প্রত্যাশা থেকে বলবে না ভালবাসি, শুধু বলে যাবে মনের অনুভূতি গুলো। সে জানে যে আজ অদিতি কোনো উত্তর দিবে না, তবুও সে তার মনের কথা বলে যাবে...


পার্কে পা দিতেই সব কিছু অন্যরকম লাগছে অদিতির। ঐ তো গাছের নিচের বেঞ্চটাতে বসে আছে আয়ান এক গুচ্ছ ফুল নিয়ে। অদিতি আজো ভেবে পায় না , কেন আয়ান কে এতবার ইগনোর করার পরও আয়ান তাকে এত ভালবাসে। অদিতি ভাবছে ৩ বছর আগে কিভাবে সবার আগেই আয়ান ওকে দেখেছিল, যখন কেউ ওকে চিনতো না, তখন থেকে কিভাবে আয়ানের কাছেই ও এত পরিচিত লেগেছিল অদিতির মনে মনে ভয় লাগছে, আজ আয়ান যখন তার মনের সবকথা গুলো বলবে সরাসরি তখন কি হবে, সে আগেই আয়ানকে বলেছে কোনো উত্তর দিবে না শুধুই শুনবে। অদিতি শুধু আগের কথা গুলো ভাবছে, কেন এত জনের মাঝে এক মাত্র আয়ানই থেমে থাকলো তার জন্যে।

কিন্তু এসব প্রশ্নের কোনো উত্তর পাচ্ছে না সে। আদিতি আয়ানের দিকে আগাচ্ছে আর তখন সে নিজেকে বলছে ভাগ্য তার সাথে কি খেলাটা খেলছে? ?

১০ বছর পর
....

ফুলের দোকানের সামনে গাড়ি থামাতেই আয়ানের পুরানো স্মৃতিগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠলো। আজো সে ফুল কিনতে এসেছে অদিতির জন্য, আজ ২১শে ফেব্রুয়ারী, ফুল নিয়ে আজো সেই পার্কে যাবে সে। কিন্তু ১০ বছর আগে সে জানতো অদিতি আসবে কিন্তু আজ সে জানে না আদিতি আসবে কি না। আয়ান তার হাতে অদিতির দেয়া সেই চিরকুটটা নেড়েচেড়ে দেখছে। অদিতি যাওয়ার আগে এই চিরকুট দিয়ে বলেছিল,"একবার ভুল করে নিজের মনের অজান্তে তোমায় ভালবেসেছিলাম, কিন্তু এই অনুভুতিটা আগাতে চাই নি, আমার কাছে নিজের পরিবারটা আগে, তারপর এইসব, তাই অনুভূতিটা দমন করেছি। আর তোমায় এখনো ভালবাসতে চাই না। আর কথা মতো উত্তরটাও দিতে পারবো না" সে দিন আয়ানও আদিতি কে বলেছিল,"তুমি উত্তর দাও আর না দাও আমি তোমার উত্তরের অপেক্ষা করবো। প্রতিবছর এই দিন এখানে আসবো" আয়ান তার কথা রেখেছে, প্রতি বছর এই দিন সে আসে পার্কে এক গুচ্ছ লালসাদা গোলাপ নিয়ে, আর আজো যাচ্ছে সে, কিন্তু এইটা হয়তো আয়ানের শেষ যাওয়া, কারন বাবা-মা এর অসম্ভব চাপে তাদের খুশির জন্য আয়ান বিয়ে করতে রাজি হয়েছে


তাই আজ সে ঠিক করেছে শেষবারের মতো অপেক্ষা করবে আদিতির উত্তরের
.আর যদি এবারো অদিতি না আসে সে ফুল রেখে দিয়ে চলে আসবে আর ভেবে নিবে ওর ভাগ্যে আদিতি ছিল না আয়ানের ভাবনার ঘোর কাটলো ফুলওয়ালার ডাকে ফুলওয়ালা কে টাকা দিয়ে সে ছুটলো পার্কে, তার শেষ প্রহরের উদ্দেশ্যে।



অদিতি বুঝছে না সে কি করছে। তার বারবার মনে হচ্ছে আয়ান এর প্রতি অনুভতি গুলো শেষ করে দেওয়া কি তার ঠিক ছিল। আজ আদিতির নিজের জীবনের ওপর আক্ষেপ করতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু করার কিছু নেই দোষটা তো ওর নিজেরি। আদিতি মুখ নিচে করে চুপচাপ এসব ভাবছে। পাশে থাকা তার বাবা মার তার জন্য পছন্দ করা ছেলেটি কি যেন বলছে। কিছুই তার মাথার মাঝে ঢুকছে না। শুধু আয়ানের কথা ঘুরছে। অদিতি একবার পাশে থাকা ছেলেটির দিকে তাকিয়ে ভাবলো, এই ছেলে টাকে সে কেন বিয়ে করছে? শুধুই তার বাবা
-মা কে খুশি করতে? আচ্ছা আজো কি আয়ান অদিতির জন্যে অপেক্ষা করছে? অদিতি চিন্তায় ছেদ পরলো যখন পাশের ছেলেটি বলে উঠলো,"অদিতি আজ তো ২১শে ফেব্রুয়ারী চলো পার্ক থেকে ঘুরে আসি" কথাটা শুনেই আদিতি কিছুটা নেড়েচড়ে বসলো।


ওর মনে পড়লো, আজ তো ২১শে ফেব্রুয়ারী, ১০বছর আগে আয়ান তাকে বলেছিল আমি তোমার উত্তরের জন্য প্রতি বছর এই দিন এই পার্কে অপেক্ষা করবো,আজ কি তাহলে আয়ান তার অপেক্ষা করছে?"অদিতির মনের চাপা পড়ে থাকা অনুভূতি গুলো চিত্‍কার করে বলছিল, অদিতি খুঁজে বের কর তোর আয়ানকে, বলে দে না বলা সব কথাগুলো''
অদিতি আর কিছু ভাবলো না। শেষ চেষ্টার উদ্দেশ্যে সে চলে গেল গাড়ির দিকে। গাড়ি নিয়ে ছুটতে লাগলো সে পার্কের দিকে এক ক্ষীন আশা নিয়ে। কিন্তু পার্ক এর সামনে গিয়ে দেখলো, পার্ক টা ১০ বছর আগের মতো নেই সম্পূর্ন পালটে গেছে। দিশেহারার মতো অদিতি ভাবতে লাগলো এত বড় পার্কের কোথায় পাবে আয়ান কে? আর আয়ান কি এসেছে যে ওকে খুঁজে পাবে সে?

সন্ধ্যা হতে চলেছে আয়ান তবুও বসে আছে ফুল নিয়ে। আয়ান জানে তার প্রতি বছর এভাবে অপেক্ষা করা অনর্থক। অদিতি হয়তো এখন সুখে সংসার করছে অন্য কারো সাথে। তার যদি আসাই লাগতো সে অনেক আগেই আসতো। তবুও কেন জানি আয়ান জেনে শুনে এই অনর্থক কাজটা করেই চলেছে। আজই শেষ; ধরে নেবে, হয়তো তার ভাগ্যে ভালবাসা পাওয়াটাই ছিল না।

আয়ান বসে বসে এসব ভাবতে লাগলো। সে পাশে রাখা ফুল আর তার নিচে চেপে রাখা চিরকুটটার দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলো,সত্যি হয়তো আমার ভাগ্যে তুমি নেই অদিতি, সবাই তো ভালবাসা পায় না, কেউ পায়, কেউ পায় না আর কেউ পেয়ে হারায়, আমার অপেক্ষার সময় শেষ এখন আমার যেতে হবে চলে
" আর তখন হঠাত্‍এক দমকা হাওয়ায় উড়ে গেল আয়ানের সেই ছিরকুকটি। আয়ান তার পিছে ছুটতে লাগলো।


অদিতি অনেক্ষন চারপাশ খুঁজে কোথাও আয়ানকে পেল না। সে ক্লান্ত হয়ে একটি বেঞ্চে বসে নিজেকে বলতে লাগলো, অদিতি তোর দোষে এই ভালবাসাটা পেয়ে হারিয়েছিস, তোর ভাগ্যে হয়তো ছিল না আয়ান। হঠাত্‍অদিতির পায়ের উপর উড়ে আসলো একটি কাগজের টুকরা। সে সেই কাগজের টুকরাটা তুলে তার ভাঁজ খুলতেই তার সব কিছু অন্যরকম হয়ে গেল। হয়তো আদিতির ভাগ্য এই খেলাটাই খেলতে চেয়েছিল। কাগজটি তে অদিতির হাতের লেখায় লেখা ছিল,
 

Destiny meets destiny....

luck meets luck....
 

i met u....

nd fell in love....

আর তখনই পিছে থেকে এক জন অদিতি কে বললো,excuse me ,চিরকুটটা আমার
....

বুধবার, ৭ মার্চ, ২০১২

Screenshots বা On-Screen Video Capture (FULL HD) করুন খুব সহজেই


     ঠিক এমন ১টা Perfect জিনিস বহুদিন খুঁজছিলাম। হাতের নাগালে থাকার পরও বুঝতে পারিনি এটা এতটা কাজের। আমি Engineering এর Student । কথায় কথায় Screen shot নিতে হয় মাঝে মাঝেই। যদিও আমরা “Prt Scr ” ব্যবহার করে Manullay কাজ টা করে থাকি কিন্তু বেশ কিছু Shot খুব কম সময়ের ব্যবধানে নিতে গেলে বিপাকে পড়তে হয়। ধরুন আপনি এমন ১টা কাজ করছেন যা সময়ের সাথে সাথে কোন মান পরিবর্তন করে কিন্তু এটা আপনাকে Save করে রাখতে হবে অথবা কোন গেম খেলছেন কিন্তু কিছু ১টা save করে রাখতে হল যেন পরে দেখা যায়। আমি জানিনা এত ঝামেলা করে মনে হয় কাজ করা সম্ভব না। কিন্তু Fraps ব্যবহার করে সেকেন্ড এর ব্যবধানে কাজ গুলো করা সম্ভব।

      একই ভাবে মাঝে মাঝে On Screen Video Capture করার দরকার পড়ে। অনেক সফটওয়্যার আমি ব্যবহার করেছি কিন্তু এটার মত HD ভিডিও quality,Frame Rate ,Sound quality  কোনোটাতেই পাইনি। সাথে আপনি চাইলে Capturer করবার সময় নিজের কথা Audio হিসেবে Record করতে পারেন। Professional কাজে খুব কাজে দেয় মাঝে মাঝেই। আমি Game পাগল মানুষ। প্রায় দেখা যায় খেলার সময় বিভিন্ন অংশ Video capture করে রাখি। Fraps এর নিজস্ব সাইট থেকে সফটওয়্যার টি নামালে কাজ করতে পারবেন ঠিকই কিন্তু Video capture ৩০ সেকেন্ড এর বেশী হবেনা। আমি এক সময় registered ভার্সন না পেয়ে এটাই ব্যবহার করতাম।  কিছুদিন ধরে সমস্যা ছাড়া ব্যবহার করছি, তাই ভাবলাম registered ভার্সন টা আপনাদের দেওয়া যায়।

আমি Procedure বলে দিচ্ছিঃ
         
         1.     http://www.mediafire.com/?g78lubdeakq5g7h এখানে থেকে সফটওয়্যার টি নামিয়ে ফেলুন।
         2.     Install করার সময় Net Connection বন্ধ থাকায় ভাল আমি ঠিক ব্যাপার টা জানিনা,কেউ জানলে Please জানাবেন।
         3.     Fraps চালু করুন।
         4.     Screenshot নিতে হলে F10 চাপুন।
         5.     Video Capture করতে হলে F9 চাপুন বন্ধ করে আবার F9 চাপুন।





আশা করি সমস্যা হবেনা। তারপরও হলে জানাবেন,আমি সমাধান দিতে চেষ্টা করব।
ভাল থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।


শুক্রবার, ২ মার্চ, ২০১২

মুভির Subtitle বা মিউজিকের Lyrics নিয়ে সমস্যা আর না।


আচ্ছা ১টা ব্যাপার বলুন তো, ধরুন আপনি খুব পছন্দের ১টা গান শুনছেন, কিন্তু Lyrics না থাকার কারনে কথা গুলো বুঝতে পারছেন না। ওই মূহুর্তে মেজাজ টা অন্তত আমার বেশ খারাপ হয়ে যায়। তাই ভাবলাম অনেকের অজানা থাকতে পারে এই সহজ ব্যাপার  টা। মাত্র ২১৯KB এর এই ছোট্ট Plugins টি Windows Media Player আর Winamp এর জন্য কাজ করবে। সাথে অবশ্য ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে।
          একই ভাবে মুভি দেখা সময়ও Subtitle না থাকলে হয়। আমরা অনেক সময় ইংরেজি Pronounciation বুঝতে পারিনা। তাই সেটার জন্য কথা বুঝতে পারিনা। সেটারও ১টা সহজ সমাধান আছে। Sublight নামের ৩.৭৮ MB এর এই সফটওয়্যার এর মাধ্যমে কাজ টি করা যায়।
আমি procedure বলে দিচ্ছি।
Audio গান এর জন্যঃ
1.       http://www.lyricsplugin.com/ এখান থেকে সফটওয়্যার টি নামিয়ে ফেলুন।
2.       Install করলে Windows Media Player এর পছন্দের গান টি ইন্টারনেট সংযোগ থাকা অবস্থায় চালু করুন। (আমি Winamp এর জন্য কাজ করে দেখিনি)
3.       দেখবেন বেশ ভাল ভাবেই Lyrics দেখতে পারবেন। 
Movie এর জন্যঃ
1.       http://www.sublight.si/ এখান থেকে সফটওয়্যার টি নামিয়ে ফেলুন।
2.       Install করে ফেলুন। (Portable হলে এমনিতেই কাজ করবে)
3.       এরপর Video File টি Browse করে Select করুন।
4.       Search Subtitle এ ক্লিক করুন।
5.       মোটামুটি অনেক Subtitle পাবেন। যেকোনো ১টা Select করে (ভাল করে Media Type দেখে  নিন)
6.       Right Click করে “Play video with Subtitle ”এ ক্লিক করলে মুভি চালু হবে। সাথে Subtitle File টি আপনার কম্পিউটার এ Save হয়ে যাবে। পরবর্তীতে আপনি ইন্টারনেট ছাড়াই Subtitle সহ মুভি দেখতে পারবেন।





ধন্যবাদ সব্বাইকে।