Powered By Blogger

কিছু খুঁজতে এখানে লিখুন

বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০১৩

Need For Speed Most Wanted Multiplayer on Wifi (Lan Play)


Need For Speed Most wanted  কমবেশি আমাদের সবার অনেক পছন্দের একটি গেম। Single Player আমরা সবাই খেলে থাকি। Multiplayer এ বা Lan Play তে এই গেম খেলা সম্ভব খুব সহজেই। একটি Connection এ সর্বচ্চ ৪ জন পর্যন্ত এক সাথে আলাদা আলাদা কম্পিউটারে খেলা সম্ভব। লাগবেনা কোন Lan Cable বা hub । Wifi  ব্যবহার করেই Multiplayer এ খেলা সম্ভব।

আমি Procedure গুলো বলে দিচ্ছি।

1.       ল্যাপটপ/ডেক্সটপ কম্পিউটার সাথে Wifi Connectivity.

2.       এবার কম্পিউটার এর টাস্কবার এর “Network”  Icon এর উপরে Right Click করে “Open Network and Sharing Center” এ click করলে একটি window  আসবে।

3.       এবার “Setup a new connection or network” ক্লিক করে অপশন থেকে “setup a wireless ad hoc” সিলেক্ট করলে একটি window আসবে।

4.       এখানে Network Name এ যে কোন একটি নাম, Network type  WEP আর Password এ ৫ ডিজিট এর একটি নাম্বার আর ক্যারেক্টার সম্বলিত একটি password দিতে হবে। যেমনঃ “1234a” তারপর “Next” করলে একটি Network  চালু হবে।

5.       এবার অন্য কম্পিউটার এ wifi চালু করলে “Available Network” এ এই Network দেখা যাবে এবং password  ব্যবহার করে connect করতে হবে। Connection এর পালা শেষ।

6.       এবার Need For Speed Most wanted  গেমটি যে Folder install করা আছে সেখানে গিয়ে “Speed.exe” File টিতে Right Click করে Properties এ গিয়ে Compatibility  Select করলে Run this program compatibility mode for এ গিয়ে Tick mark দিয়ে OK করতে হবে।

7.       এবার গেম চালু করে “lan playselect করে “Create Server” করলে একটি গেম Server চালু হবে। এবার “Create Game”  Select করে একটি গেম তৈরী করতে হবে।

8.       এখন অন্য কম্পিউটারে একই ভাবে গেম চালু করে “Lan Play” সিলেক্ট করলে একটি Game Server দেখা যাবে। সেটাতে Join  করে “Session Match” করলে Created Game টি দেখা যাবে। সেখানেও Join করলে রেস শুরু হবে।

9.       এভাবে প্রতিটি রেস এর জন্য procedure 7  থেকে Follow করতে হবে।

Procedure 1-5 Follow করে WIFI নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অন্যান্য Multiplayer গেম গুলো খেলা সম্ভব। যেমনঃ Counter Strike। 

শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০১৩

[অ্যাডভান্সড অ্যান্ড্রয়েড] রুট কী ও কেন, সুবিধা ও অসুবিধা


রুট শব্দটি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা প্রায়ই শুনে থাকবেন। অ্যান্ড্রয়েড কথনে তো বটেই, অ্যান্ড্রয়েড বিষয়ক অন্যান্য সাইট, ফোরাম, এমনকি গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপ্লিকেশনও চোখে পড়বে যেগুলো ব্যবহার করতে হলে আপনার ফোন বা ট্যাবলেট রুট করা থাকতে হয়। প্রাথমিকভাবে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ব্যবহারকারীরাই রুট কী এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানেন না। রুট করার মাধ্যমে ডিভাইসের পরিপূর্ণ পারফরম্যান্স পাওয়া সম্ভব, এমন কথা শুনে অনেকেই রুট করতে আগ্রহী হয়ে পড়েন। কিন্তু রুট করার পর দেখা যায় তাদের ডিভাইসের পারফরম্যান্স আগের মতোই রয়ে যায়। তখন তারা হতাশ হয়ে পড়েন ও রুটের কার্যকারিতা বা আসল সুবিধা কী এই প্রশ্ন তাদের মনে আবারও উঁকি দিতে শুরু করে।

এই লেখাটি তাদের জন্যই যাদের রুট নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই। এই লেখাটিতে আমি খুব সাধারণভাবে রুট কী তা বোঝানোর চেষ্টা করবো ও ডিভাইস রুট করার সুবিধা ও অসুবিধা সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করবো। যেহেতু লেখাটি একদমই নতুন ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্য করে লেখা, তাই বেশিরভাগ টেকনিক্যাল বিষয়গুলো এড়িয়ে কেবল একটি স্পষ্ট ধারণা দেয়ার মতো করে লেখাটি সংক্ষেপিত করা হয়েছে। অ্যাডভান্সড ব্যবহারকারীরা রুট সম্পর্কে যথেষ্টই ধারণা রাখেন বলে আমার ধারণা। তাই লেখাটি তাদের উদ্দেশ্য করে নয়।

রুট কী?

সবচেয়ে সহজ শব্দে বলা যায়, রুট হচ্ছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা প্রশাসক। যদিও এর বাংলা অর্থ গাছের শিকড়, লিনাক্সের জগতে রুট বলতে সেই পারমিশন বা অনুমতিকে বোঝায় যা ব্যবহারকারীকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী করে তোলে (অবশ্যই কেবল সেই কম্পিউটার, ডিভাইস বা সার্ভারে!) রুট হচ্ছে একটি পারমিশন বা অনুমতি। এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী সেই ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন না (যেগুলো সাধারণত সি ড্রাইভে থাকে) লিনাক্সেও তেমনি রুট পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজগুলো করা যায় না। যিনি লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার বা সার্ভারে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন অথবা যার সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই রুট ইউজার বলা হয়। অনেক সময় একে সুপারইউজার বলেও সম্বোধন করা হয়ে থাকে।

শব্দটি এতোই প্রচলিত হয়ে গেছে যে, রুট ইউজার বলার বদলে সরাসরি রুট বলেই সেই ব্যবহারকারীকে সম্বোধন করা হয়। অর্থাৎ, আপনার লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের আপনি যদি রুট অ্যাক্সেস প্রাপ্ত ব্যবহারকারী হন, তাহলে আপনি রুট।

লিনাক্স এবং অ্যান্ড্রয়েড

অনেকেরই হয়তো খটকা লাগতে শুরু করেছে যে, অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে কথা বলতে এসে লিনাক্সকে টানা হচ্ছে কেন। মূলত, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে। যারা কম্পিউটারে লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেছেন, তারা অ্যান্ড্রয়েড রুট করার পর কম্পিউটারের মতোই ফাইল সিস্টেম (রুট পার্টিশন) দেখতে পাবেন অ্যান্ড্রয়েডে, তখন বিষয়টা আরও স্পষ্ট হবে।

অ্যান্ড্রয়েডে রুট অ্যাক্সেস

লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করার পর আপনার যেই পাসওয়ার্ড থাকবে, সেটি ব্যবহার করেই আপনি রুট অ্যাক্সেস পেয়ে যাচ্ছেন। এখন নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটিও তো আপনিই কিনেছেন, তাহলে আপনি কেন রুট অ্যাক্সেস পাচ্ছেন না?

ট্রিকটা এখানেই। আপনি ডিভাইসটি কিনেছেন ঠিকই, কিন্তু আপনি কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমটি ইন্সটল করেননি, তাই না? ডিভাইস প্রস্তুতকারক ডিভাইসটি প্যাকেটজাত করার আগে তাদের কম্পিউটার থেকে লিনাক্স কার্নেলের উপর তৈরি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে দিয়েছে। এখানে বলা বাহুল্য, অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের মূল ভিত্তিটা এক হলেও একেক কোম্পানি একেকভাবে একে সাজাতে বা কাস্টোমাইজ করতে পারেন। এই জন্যই সনির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইউজার ইন্টারফেসের সঙ্গে এইচটিসির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইন্টারফেসের মধ্যে খুব কমই মিল পাওয়া যায়।

যাই হোক, মূল বিষয়ে আসা যাক। আপনার ডিভাইস প্রস্তুতকারক কোম্পানি ইচ্ছে করেই আপনাকে রুট অ্যাক্সেস দেয়নি। এ কথা শুনে কোম্পানির উপর কিছুটা রাগ অনুভূত হলেও সত্য কথা হচ্ছে এই যে, এটি আপনার ডিভাইসের সুরক্ষার জন্যই করা হয়েছে। আসুন জেনে নিই কেন রুট অ্যাক্সেস স্বাভাবিক অবস্থায় দেয়া থাকে না।

কেন রুট করা থাকে না

ডিভাইস প্রস্তুতকারকরা ইচ্ছে করেই ডিভাইস লক করে দিয়ে থাকেন। রুট ফোল্ডার/পার্টিশনে থাকা ফাইলগুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এর কোনো একটি দুর্ঘটনাবশতঃ মুছে গেলে আপনার পুরো ডিভাইস কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। এছাড়াও ম্যালিশিয়াস বা ক্ষতিকারক প্রোগ্রামও অনেক সময় রুট করা ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে। কিন্তু লক থাকা অবস্থায় ব্যবহারকারী নিজেই রুট অ্যাক্সেস পান না, তাই অন্য প্রোগ্রামগুলোর রুট অ্যাক্সেস পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই বললেই চলে।

ডিভাইস লক করা থাকার আরেকটি কারণ হচ্ছে সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন ও ফাইল। অনেকেই ইন্টারনাল মেমোরি খালি করার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করে থাকেন। রুট করা থাকলে সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশনগুলোও ট্রান্সফার করে ফেলা যায়। কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইল রয়েছে যেগুলো ইন্টারনাল মেমোরির ঠিক যেখানে আছে সেখানেই থাকা আবশ্যক। ব্যবহারকারী যখন ডিভাইস রুট করেন, তখন স্বভাবতঃই অনেক কিছু জেনে তারপর রুট করেন। তখন বলে দেয়াই থাকে যে, কিছু কিছু সিস্টেম অ্যাপস এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করলে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু যদি স্বাভাবিক অবস্থায়ই সেট রুট করা থাকে, তাহলে ব্যবহারকারী না জেনেই সেটের ক্ষতি করতে পারেন।

এমন একটি চিত্র কল্পনা করুন, যেখানে প্রযুক্তি নিয়ে খুব একটা ধারণা রাখেন না এমন একজন ভাবলেন যে তিনি তার ফোনের ইন্টারনাল মেমোরি ফাঁকা করবেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি রুট ফোল্ডারে গিয়ে সবগুলো ফাইল কাট করে এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করে দিলেন। রুট অ্যাক্সেস থাকার কারণে ট্রান্সফারের সময় ডিভাইস তাকে বাধা দেবে না। কিন্তু ট্রান্সফারের মাঝেই ফোনটি বন্ধ হয়ে যাবে এবং আর ঠিকমতো কাজ করবে না। তখন তিনি দোষ দেবেন কোম্পানির কাঁধে। কিন্তু রুট লক করা থাকলে ব্যবহারকারী রুট ফোল্ডার খুঁজেই পাবেন না।

আশা করছি এবার বুঝতে পারছেন কেন ডিভাইস বাই ডিফল্ট রুট করা থাকে না। কিন্তু ৯০% (কিংবা তারও বেশি) ডিভাইসই রুট করা যায়। যাদের রুট করার একান্ত প্রয়োজন, তাদের রুট করার উপায় রয়েছে। কিছু কিছু কোম্পানি (যেমন সনি) নিজেদের সাইটেই ডিভাইস রুট করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজের প্রণালী দিয়ে রেখেছে। কিন্তু তবুও কোম্পানি নিজেরা রুট করা ডিভাইস বাজারে ছাড়ে না, কারণ বেশিরভাগ ক্রেতাই সাধারণ ক্রেতা হয়ে থাকেন যাদের ডিভাইস রুট করার কোনো প্রয়োজনই নেই।

কেন ডিভাইস রুট করবেন?

ডিভাইস রুট করার কারণ একেক জনের একেক রকম হয়ে থাকে। কেউ ডিভাইসের পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য বা ইন্টারনাল মেমোরি ফাঁকা করার জন্য রুট করে থাকেন, কেউ ওভারক্লকিং করার মাধ্যমে ডিভাইসের গতি বাড়ানোর জন্য রুট করেন, কেউ স্বাধীনভাবে কাজ করা ডেভেলপারদের তৈরি বিভিন্ন কাস্টম রম ব্যবহার করার জন্য, কেউ বা আবার রুট করার জন্য রুট করে থাকেন। আমি নিজেও প্রথম রুট করেছিলাম কোনো কারণ ছাড়াই। লিনাক্স ব্যবহার করি বলে বিভিন্ন সময় রুট হিসেবে অনেক কাজ করেছি কম্পিউটারে। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড ফোনে রুট পারমিশন না থাকায় একটু কেমন যেন লাগছিল। তাই রুট হওয়ার জন্য রুট করেছিলাম।

পরে অবশ্য পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে শুরু করেছি যেগুলো রুট করা ডিভাইস ছাড়া কাজ করে না। তবে সেসব নিয়ে পড়ে কথা হবে। চলুন আগে এক নজর দেখে নিই রুট করার সুবিধা ও অসুবিধা।

রুট করার সুবিধা

পারফরমেন্স বাড়ানোঃবিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ডিভাইসের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা।
ওভারক্লকিং করাঃ সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়।
আন্ডারক্লকিং করাঃ যখন ডিভাইস এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা। এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব।
কাস্টম ইউআই: আপনার ডিভাইসের হোমস্ক্রিন, লক স্ক্রিন, মেনু ইত্যাদি বিভিন্ন ইউজার ইন্টারফেসের ডিজাইন একটা সময় পর আর ভালো নাও লাগতে পারে। তখন আপনি ডিভাইসে নতুনত্ব আনতে পারবেন নতুন সব কাস্টম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে। এগুলোকে অন্যভাবে রমও বলা হয়।
কাস্টম রম: ইন্সটল করার সুবিধা। অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় ডিভাইসের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার সেটকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন। বাইরে থেকে অবশ্যই এর ডানা-পাখনা গজাবে না বা ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল থেকে ৮ মেগাপিক্সেল হবে না, কিন্তু ভেতরের ডিজাইন ও ক্ষেত্রবিশেষে পারফরম্যান্সেও আসবে আমূল পরিবর্তন।

রুট করার অসুবিধা

ওয়ারেন্টি হারানোঃ ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। তাই রুট করার আগে সাবধান। অবশ্য অনেক সেট আবার আনরুট করা যায়। আর সেট আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল। তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া এড়ানোর উপায় নেই।
ফোন ব্রিক করাঃ  ব্রিক অর্থ ইট। আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা। অর্থাৎ, এর কাজ করার ক্ষমতা হারানো। রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় একটু এদিক-সেদিক হলেই ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। আপনার ফোনের প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যেন এর ক্ষতি না হয়। রুট করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে ফেলছেন।

রুট করার পদ্ধতি ও শেষ কথা

এই ছিল রুট নিয়ে যত বকবকানি। রুট নিয়ে বা এর করা-না করা, উপকারিতা-অপকারিতা নিয়ে আরও অনেক কথা বলা যায়, কিন্তু এগুলোই হচ্ছে বেসিক কথা। আশা করছি এতটুকু পড়েই আপনারা বেশ স্পষ্ট একটি ধারণা পেয়েছেন ডিভাইস কেন রুট করা হয়, এর সুবিধা-অসুবিধা ইত্যাদি। এখন অনেকেই তাদের ডিভাইস রুট করতে চাইবেন। তাদের জন্য বলছি, একেক ডিভাইস রুট করার পদ্ধতি একেক রকম। স্যামসাং গ্যালাক্সি ওয়াই রুট করার পদ্ধতির সঙ্গে এইচটিসি ওয়ান এক্স রুট করার পদ্ধতির কোনো মিল নেই। এইচটিসি কেন, গ্যালাক্সি ওয়াই-এর সঙ্গে স্যামসাং-এরই অন্য কোনো সেট রুট করার পদ্ধতি এক নয়।

এছাড়াও একই ডিভাইস রুট করার একাধিক পদ্ধতিও রয়েছে। আবার একটি পদ্ধতি দিয়ে একাধিক ডিভাইস রুট করা যায়। রুটের বিষয়টি এতোটাই জটিল ও বিস্তৃত যে, রাতারাতিই এ নিয়ে সব লিখে ফেলা যায় না। আরেকটি বড় সমস্যা হচ্ছে, নিজেদের হাতে সেট না থাকলে রুট করার পদ্ধতি নিয়ে টিউটোরিয়াল লেখাও যায় না। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিভিন্ন সময় আমাদের হাতে আসা ও পরিচিতদের ডিভাইস রুট করার পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন সময় পোস্ট প্রকাশ করবো। আর যদি বিশেষ কোনো ডিভাইস নিয়ে রুট করার টিউটোরিয়ালের জন্য একাধিক অনুরোধ আসে, তাহলে আমরা এক্সডিএ থেকে অনুবাদ করে টিউটোরিয়াল দেবো। বলা বাহুল্য, এক্সডিএ অ্যান্ড্রয়েড বিষয়ক সবচেয়ে বড় ফোরাম যেখানে অ্যান্ড্রয়েডসহ বিভিন্ন সিনিয়র রম ডেভেলপারদের সম্মেলন ঘটে।

এবার আপনার পালা। আপনার ডিভাইসটি কি রুট করা? রুট করা হলে আমাদের জানাতে পারেন কীভাবে ডিভাইসটি রুট করেছেন। আর যদি এখনও রুট না করে থাকেন, তাহলে মন্তব্যের ঘরে বলুন এই লেখা পড়ে আপনি কী ভাবছেন।

রুট করবেন? নাকি রুট করবেন না?


বুধবার, ১২ জুন, ২০১৩

এবার Torrent File ডাউনলোড করুন IDM দিয়ে ফুল স্পীডে।


আসসালামু আলাইকুম,
কমবেশি অনেকেই হয়তো জানেন এই Tricks টা। তারপরও যদি কারও কাজে এসে যায় তাই শেয়ার করলাম। Torrent এর ভক্ত তো আশা করি কম বেশী আমরা সবাই। মোটামুটি যাই হোক না কেন খুঁজে পাবার জন্য Torrent এর জুড়ি নেই। কিন্তু আমি নিজে সহ আশা করি অনেকেই বিরক্ত Torrent Client গুলোর উপরে। Download Speed fall করা থেকে শুরু করে  µTorrent-এর মত টরেন্ট ক্লায়েন্ট দিয়ে p2p ফাইল শেয়ারিং এর মূল সমস্যা সিডার খুঁজতে সময় লাগা এবং অনেকেই Limited Package ব্যবহার করায় আপলোডিং এ ব্যান্ডউইথ খরচ হয়ে যায়। একটু পুরাতন মুভি কিংবা সফটওয়্যার যেগুলোর সিডারের চাইতে লিচার অনেক বেশী সেগুলোতে ফুল স্পিডে ডাউনলোড করা যায় না। তার উপর আছে আপলোডিং-এর ঝামেলা। এই সব সমস্যা থেকে বের হবার জন্য একটা সহজ সমাধান আছে। IDM দিয়ে যদি Torrent ফাইল গুলো নামানো যেতো তাহলে কি আর কথা থাকতে পারে? খুব সহজ ভাবে কাজটি করা যায়।

আমি Procedure বলে দিচ্ছি।

১। IDM আশা করি সবার কম্পিউটার এ ইন্সটল করা আছে। আর তা না থাকলে করে নিতে হবে।

২। আপনার পছন্দের Torrent ফাইল টি খুঁজে  "GET THIS TORRENT" বাটনে মাউসের রাইট ক্লিক করে 'Copy link address' এ ক্লিক করে ঐ টরেন্টের ম্যাগনেট লিঙ্কটি কপি করে ফেলতে হবে।

৩।  zbigz.com - একটি চমৎকার সাইট। সবচেয়ে বড় সুবিধা রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই টরেন্ট লিচ করিয়ে ডাউনলোড করা যায়। সেখানে গিয়ে কপি করা লিঙ্কটি পেস্ট করে Torrent Catching করে নিলেই ডাউনলোড অপশন আসবে। ক্লিক করা মাত্র IDM দিয়ে ফুল স্পিডে ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে।






ধন্যবাদ সব্বাইকে। 

বুধবার, ২৯ মে, ২০১৩

Youtube বা Facebook থেকে ভিডিও ডাউনলোড করে ফেলুন। (Download Video from Youtube or Facebook)


ইন্টারনেট থেকে ফাইল ডাউনলোড করার জন্য IDM এর কোনো জুড়ি নেই। একটা ব্যাপার খেয়াল করছিলাম বেশ কয়দিন আগে থেকে।  Youtube থেকে ভিডিও ডাউনলোড করবার সময় আমাদের পছন্দের ডাউনলোড ম্যানেজার Internet Download Manager ঠিক মত কাজ করছেনা। খেয়াল করলাম Flash Player Update এর সাথে সাথে কাজ করা বন্ধ করে দেয় IDM অনেক সময়। তাই ভাবলাম আমার মত সমস্যায় যদি কেউ আরও পড়ে থাকেন তো সেটা আশা করি আর হচ্ছেনা। আজ IDM এর সাইট এ গিয়ে দেখলাম তাদের সর্বশেষ সংস্করণ হচ্ছে ৬.১৫। আমরা কমবেশি সবাই জানি IDM কিছুদিন পর ব্যবহার করার পর Trail শেষ হলেই কাজ করা বন্ধ করে টাকা চাইতে শুরু করে। আমি আশা করব সম্ভব হলে অবশ্যই সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে কাজের এই সফটওয়্যার টি কিনে ব্যবহার করতে। সেটা আসলে সব সময় সম্ভব হয়না। তাই এর সাথে Crack দিয়ে দিচ্ছি। প্রথমে IDM এর সাইট থেকে সেটি ডাউনলোড করে Install করে ফেলুন। পরে Crack টি ডাউনলোড করে Winrar দিয়ে .rar খুলে ফেলুন। ভেতরে একটি Note আছে। সে অনুযায়ী Crack করে ফেলুন। কাজ শেষ। 



সাথে মজার একটা টিপস দেই, Facebook থেকে খুব সহজেই ভিডিও ডাউনলোড করে ফেলুন কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই। এই সাইট এ গিয়ে পছন্দের ভিডিও লিঙ্ক টি দিয়ে দিলেই ডাউনলোড অপশন চলে আসবে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৩

প্রয়োজনীয় কিছু অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশান।


হাতে কিছু সময় পেয়ে গেলাম। অলসতার ফাঁকে ভাবলাম অ্যান্ড্রয়েড এর কিছু অ্যাপ্লিকেশান নিয়ে লেখালেখি করা যায়। আমরা অবশ্য কমবেশি সবাই টুকটাক জানি এসব নিয়ে। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অ্যান্ড্রয়েড এর ব্যাবহারকারী। দিন দিন নতুন নতুন গেমস আর অ্যাপ্লিকেশান দিয়ে ব্যাপক ভাবে জমে উঠেছে প্লে স্টোর। দেখা যায় একধরনের অ্যাপ্লিকেশান খুজতে যেয়ে হাজার হাজার অ্যাপ্লিকেশান চলে আসে। বুঝায় মুশকিল কোনটা ব্যবহার করবেন। তাই আজ কিছু খুব দরকারী কয়েকটা অ্যাপ্লিকেশান নিয়ে কথা বলব।



১। গান তো আসলে আমরা কম বেশি সবাই শুনি বা শুনতে পছন্দ করি। বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা ট্যাবলেট এর সাথে বিল্ট ইন মিউজিক প্লেয়ার দেওয়ায় থাকে। সেগুলোর পারফর্মেন্সেও হয়ত আপনি খুশি। TTPOD নামের এই মিউজিক প্লেয়ার টা এক কথায় অসাধারন। Equlizer বলুন,Music Library বলুন, Virtuilization বলুন সব দিক থেকেই অসাধারন। কোন গান চালু অবস্থায় নেট চালু রাখলে আপনাআপনি Album Art, Song Lyrics পেয়ে যায়। এবং সেটা থেকেই যাবে, পরেরবার নেট সংযোগ না থাকলেও Song lyrics দেখতে পারবেন। অনেক Free Skin আছে এর সাথে। মিউজিক প্লেয়ার এর চেহারা ইচ্ছে মত পরিবর্তন করতে পারবেন। মাত্র ৬ মেগার এই অ্যাপ্লিকেশান টি পাওয়া যাবে সম্পুর্ন বিনামুল্যে।TTPod on Play Store








২। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জনপ্রিয়তার সাথে সাথে বাড়ছে অ্যাপ্লিকেশান। সবার কাছে কমবেশি নানা ধরনের অ্যাপ্লিকেশান আছে। কিন্তু ভাললাগলেই তো হবেনা, সেটার Backup APK File না থাকলে তো নিজের ডিভাইসে নেওয়া সম্ভব না। এই সমস্যা এখন ভুলে যান। Bluetooth APP Sender নামের এই অ্যাপ্লিকেশান টি আসলেই অনেক কাজের। ইচ্ছে মত অ্যাপ্লিকেশান/গেমস দিতে বা নিতে পারবেন বন্ধুর ডিভাইস থেকে। মাত্র ১২৬ KB এর এই অ্যাপ্লিকেশান টিও ফ্রী।  Bluetooth App Sender On Play Store.




৩। ডিভাইস এ কী-বোর্ড এর ভুমিকা কিন্তু কোন দিক দিয়ে কম না। আমাদের কম বেশী সবারই বাংলা লেখার দরকার পড়ে। তা SMS করতেই হোক, FB তে স্ট্যাটাস দেবার ক্ষেত্রেই হোক বা Contact এর নাম লিখতেই হোক। সব ডিভাইসের সাথে বিল্ট ইন কী-প্যাড দেওয়ায় থাকে। সবসময় কিন্তু সেগুলো User Friendly  হয়না। Ridmik Keyboard  নামের এই কি-বোর্ড টি কিন্তু বেশ জনপ্রিয়। এটা বেশ User Friendly  এবং অনেকেই অভ্র ব্যবহার করেন, এই কী-বোর্ড টিও একদম একরকম Install না করলে বোঝা সম্ভব না এটার বিশেষত্ব। কিন্তু মাত্র ২.৫ MB এর অ্যাপ্লিকেশান টি একদম ফ্রী। ব্যবহার করে দেখতে পারেন।  Ridmik Keyboard On Play Store.




৪। মোবাইল ফোনের প্রধান কাজ হচ্ছে ফোন করা। অনেক অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ডায়ালার লোড হতে বেশ সময় নেয়। Dialar2 নামের এই অ্যাপ্লিকেশান টি খুব light, লোড হবে সেকেন্ডে। সাথে আছে দ্রুত নাম খুজে পাবার ব্যাবস্থা। সম্পুর্ন কল লগ পাওয়া যায় সহজেই। আরও আছে Speed Dial এ নাম্বার যোগ করার সুবিধা। ১৬৯ KB এর এই অ্যাপ্লিকেশান টির Rating ও বেশ ভাল। Dialer2 on Play Store




৫। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে যেমন ডিভাইস বাড়ছে সাথে আপডেট হচ্ছে তার কনফিগারেশন। গেমস গুলোও সমান তালে আপডেট হচ্ছে। তাই দেখা যাচ্ছে পছন্দের ডিভাইস টি কেনার কিছুদিন পরই নতুন নতুন গেম গুলো ভাল ভাবে চলছেনা। এটার একটা উপায় আছে। No-Frills CPU Control অ্যাপ্লিকেশান দিয়ে আপনি ইচ্ছে মত আপনার ডিভাইস এর CPU Control করতে পারেন। চার্জ বেশীক্ষন স্থায়ী করবার জন্য প্রসেসর এর ক্ষমতা কমিয়ে রাখতে পারেন। আবার গেম খেলার জন্য তা বাড়িয়ে নিতে পারেন। বলা বাহুল্য যে এই অ্যাপ্লিকেশান টি ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই আপনার ডিভাইস টি রুট করতে হবে। কারন সাধারনত কোন Vendor চায়না যে ব্যবহারকারী CPU Control করুক। আমি ব্যবহার করে দেখেছি। No-frills CPU Control On Play Store.





৬। এবার আসা যাক ক্যামেরার দিকে। ক্যামেরার কাজ যদিও ছবি তোলা, কিন্তু এর সাথে যেমন Collage, Editing, Scenery, GIF, PIP QR code এর মত সুবিধা পাওয়া যায় তো খারাপ কি? Ucam নামের একটি অ্যাপ্লিকেশান এর নাম বলছি যা দিয়ে ছবি তোলার পাশাপাশি উপরোক্ত কাজ গুলো করতে পারেন অনায়াসে। ছবির Color, Contrast, Brightness ইত্যাদির পাশাপাশি বিভিন্ন Effect যোগ করা, ছোট- বড় করা, ছবির মাঝে নাম লেখা, Animated ছবি তৈরী করা যায় এর মাধ্যমে। অনেক সময় QR Code Read করার প্রয়োজন পড়ে, এই কাজ টিও সহজেই করে ফেলবে UCam. Ucam on Play Store.




৭। শেষ করব একটি অসাধারন অ্যাপ্লিকেশান দিয়ে যেটি একসাথে Free আর অনেক বেশী কাজের। আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এর Maintainance এর জন্য এটা আসলেই অসাধারন। Advance Mobile Care নামের এই অ্যাপ্লিকেশান টি পিসির জন্য ব্যবহার করি অনেক আগে থেকে। এটার অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন টিও বেশ কাজের। অনেক সময় আলাদা আলাদা অনেক অ্যাপ্লিকেশান ব্যবহারের ফলে ডিভাইস Slow হয়ে যায়। Game Speeder, App Manager, Battery Saver, Task Killer, Privacy Advisior, Privacy locker, Anti Theft, Cloud Backup সব মিলিয়ে এই অ্যাপ্লিকেশান। Game Speeder আসলেই ভাল কাজ করে। Anti Theft হারানো ডিভাইস খুজে বের করতে পারবেন। Privacy Advisior দিয়ে বাড়াতে পারেন দরকারী File এর নিরাপত্তা। Advance Mobile Care on Play Store.

ধন্যবাদ সব্বাইকে। :D


মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০১৩

অ্যাান্ড্রয়েড নিয়ে কিছু কথা


অ্যান্ড্রয়েড আসলে কি ,কি কাজ করে, হটাৎ কোথায় থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসল? এমন অনেক প্রশ্ন আমাদের মাঝে আছে বা ছিল কিছুদিন আগ পর্যন্ত। এর মধ্যে অনেকেই জেনে ফেলেছেন ব্যাপার গুলো। কিন্তু কিছুদিন আগে ইউনিভার্সিটি তে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া অ্যান্ড্রয়েড এর উপর সেমিনার এ গিয়ে বুঝলাম এই বিষয়ের উপর অনেকের অজানা প্রশ্ন রয়েছে। সুতরাং মূলকথা গুলো জেনে নেই।
বাজারে আসার মাত্র চার বছরের মধ্যে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমচালিত (ওএস) ডিভাইস বিক্রি ১০০ কোটি ইউনিট ছাড়িয়ে যাবে বলে পূর্বাভাসে দিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএইচএস আইসাপ্লি।সহজ কথায়,
১. অ্যান্ড্রয়েড লি‌নাক্সভিত্তিক একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম।
২. অ্যান্ড্রয়েড ওপেনসোর্স, অনেক দিন থেকেই একটি ওপেনসোর্স কার্যকরী মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের অপেক্ষায় ছিলাম আমরা।
৩. অ্যান্ড্রয়েডে প্রোসেস ও থ্রেডের ব্যবহার অত্যন্ত সাবলীল এবং রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট অসাধারণ।
৪. বিনামূল্যে ডেভলপমেন্ট টুলগুলো পাওয়া যায়।
৫. জাভা ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট, যদিও তা প্রচলিত J2ME থেকে আলাদা।
৬. বেশ সমৃদ্ধ এপিআই যা একজন প্রোগ্রামারের জন্য আশীর্বাদ

২০০৯ সালে অ্যান্ড্রয়েডের আনা সংস্করণগুলোর নাম যথাক্রমে, 
১.৫ কাপকেক, 
১.৬ ডোনাট ও 
২.০ একলিয়ার ও । 
২০১০ সালে সংস্করণ আনা 
২.২ ফ্রয়ো ও 
২.৩ জিঞ্জারব্রেড এর নাম রাখা হয় ও । জিঞ্জারব্রেডের পরবর্তী সংস্করণগুলো 
৩.০ হানিকম্ব। এটিই প্রথম ট্যাবলেটে ব্যবহার করা হয়। এরপর 
৪.০ আইসক্রিম স্যান্ডউইচ, সর্বশেষ সংস্করণ 
৪.১ জেলি বিন এ বছর বাজারে আসে। ২০১১ সালে আইসক্রিম স্যান্ডউইচ ট্যাবলেট ও সেলফোনে ব্যাপক সাড়া পায়। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পায় জিঞ্জারব্রেড। এ সময় অ্যান্ড্রয়েডের বাজার ২০.৯ থেকে ৫৭.৭ শতাংশে উত্তীর্ণ হয়।

গুগল অ্যান্ড্রয়েডকে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিল। আইএইচএস আইসাপ্লির এ প্রতিবেদন নিঃসন্দেহে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও বেশি সফল হতে উত্সাহ জোগাবে। অ্যাপলের আইওএস, নকিয়ার সিমবিয়ান সবার ব্যবহারের অনুমতি নেই। মালিকানাধীন অ্যাপল ও নকিয়াই এগুলো ব্যবহার করতে পারে। এর বিপরীতে যেকোনো স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানই অ্যান্ড্রয়েডের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে। মূলত এ কারণে ওএসটি এত জনপ্রিয়।