অ্যান্ড্রয়েড আসলে কি ,কি কাজ করে, হটাৎ কোথায় থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসল? এমন অনেক প্রশ্ন আমাদের মাঝে আছে বা ছিল কিছুদিন আগ পর্যন্ত। এর মধ্যে অনেকেই জেনে ফেলেছেন ব্যাপার গুলো। কিন্তু কিছুদিন আগে ইউনিভার্সিটি তে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া অ্যান্ড্রয়েড এর উপর সেমিনার এ গিয়ে বুঝলাম এই বিষয়ের উপর অনেকের অজানা প্রশ্ন রয়েছে। সুতরাং মূলকথা গুলো জেনে নেই।
বাজারে আসার মাত্র চার বছরের মধ্যে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমচালিত (ওএস) ডিভাইস বিক্রি ১০০ কোটি ইউনিট ছাড়িয়ে যাবে বলে পূর্বাভাসে দিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএইচএস আইসাপ্লি।সহজ কথায়,
১. অ্যান্ড্রয়েড লিনাক্সভিত্তিক একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম।
২. অ্যান্ড্রয়েড ওপেনসোর্স, অনেক দিন থেকেই একটি ওপেনসোর্স কার্যকরী মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের অপেক্ষায় ছিলাম আমরা।
৩. অ্যান্ড্রয়েডে প্রোসেস ও থ্রেডের ব্যবহার অত্যন্ত সাবলীল এবং রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট অসাধারণ।
৪. বিনামূল্যে ডেভলপমেন্ট টুলগুলো পাওয়া যায়।
৫. জাভা ল্যাঙ্গুয়েজ সাপোর্ট, যদিও তা প্রচলিত J2ME থেকে আলাদা।
৬. বেশ সমৃদ্ধ এপিআই যা একজন প্রোগ্রামারের জন্য আশীর্বাদ
২০০৯ সালে অ্যান্ড্রয়েডের আনা সংস্করণগুলোর নাম যথাক্রমে,
১.৫ কাপকেক,
১.৬ ডোনাট ও
২.০ একলিয়ার ও ।
২০১০ সালে সংস্করণ আনা
২.২ ফ্রয়ো ও
২.৩ জিঞ্জারব্রেড এর নাম রাখা হয় ও । জিঞ্জারব্রেডের পরবর্তী সংস্করণগুলো
৩.০ হানিকম্ব। এটিই প্রথম ট্যাবলেটে ব্যবহার করা হয়। এরপর
৪.০ আইসক্রিম স্যান্ডউইচ, সর্বশেষ সংস্করণ
৪.১ জেলি বিন এ বছর বাজারে আসে। ২০১১ সালে আইসক্রিম স্যান্ডউইচ ট্যাবলেট ও সেলফোনে ব্যাপক সাড়া পায়। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পায় জিঞ্জারব্রেড। এ সময় অ্যান্ড্রয়েডের বাজার ২০.৯ থেকে ৫৭.৭ শতাংশে উত্তীর্ণ হয়।
গুগল অ্যান্ড্রয়েডকে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিল। আইএইচএস আইসাপ্লির এ প্রতিবেদন নিঃসন্দেহে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও বেশি সফল হতে উত্সাহ জোগাবে। অ্যাপলের আইওএস, নকিয়ার সিমবিয়ান সবার ব্যবহারের অনুমতি নেই। মালিকানাধীন অ্যাপল ও নকিয়াই এগুলো ব্যবহার করতে পারে। এর বিপরীতে যেকোনো স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানই অ্যান্ড্রয়েডের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে। মূলত এ কারণে ওএসটি এত জনপ্রিয়।

